৩০২টি পোস্টের মধ্যে অন্তত ২০০ ভিউ পাওয়া ১৩৯টি পোস্ট বিশ্লেষণ করে দেখা যায়– সরাসরি প্রচারের বদলে প্রশ্ন, আবেগ, নৈতিক ফ্রেম এবং সংশয়ের মাধ্যমে জামায়াতমুখী একটি অনলাইন বয়ান তৈরি করা হয়েছে।
ডেটা এক্সপ্লেইনার২৫-০৪-২০২৬
১৩৯
বিশ্লেষিত পোস্ট
৭২
জনমত গঠনধর্মী পোস্ট
২৮,৩৯,২৬৭
মোট প্রভাব
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে বাংলাভাষী অনলাইন পরিসরে ইলিয়াস হোসেন নামটি উল্লেখযোগ্যভাবে আলোচিত। গত ডিসেম্বরে দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা-ভাংচুরের ঘটনার পর গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী তার একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সরিয়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে একাধিক নতুন অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে একই নাম বা সংশ্লিষ্ট পরিচয়ে ফেসবুকে কনটেন্ট প্রকাশ অব্যাহত রয়েছে বলে প্রকাশ্য তথ্য থেকে দেখা যায়।
এই অনুসন্ধানমূলক বিশ্লেষণে বিশেষভাবে এমন কনটেন্টগুলো পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে, যেখানে ভোট, নির্বাচন, জামায়াত, শিবির, ও জামায়াতে ইসলামির আমির শফিকুর রহমানের উল্লেখ রয়েছে। এ ধরনের পোস্টের সংখ্যা ছিল ৩০২টি। এর মধ্যে অন্তত ২০০ ভিউ হয়েছে এমন ১৩৯টি পোস্ট বিশ্লেষণ করা হয়েছে। বিশ্লেষণে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবণতা সামনে আসে– এই কনটেন্টগুলো কেবল তথ্যই দেয় না, বরং ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট বয়ান তৈরির চেষ্টা করে।
বয়ানের ধরন
সাধারণত প্রচারণামূলক পোস্টে স্পষ্ট দলীয় আহ্বান, সরাসরি সমর্থন বা ভোটের বার্তা থাকে। তবে বিশ্লেষিত পোস্টগুলোর একটি অংশে দেখা যায়, এগুলো সরাসরি নির্দেশনা দেয় না; বরং এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা পাঠককে একটি নির্দিষ্ট ব্যাখ্যার দিকে যেতে প্রভাবিত করতে পারে।
এই প্রেক্ষাপটে ফ্রেমিং একটি গুরুত্বপূর্ণ উপস্থাপন কৌশল হিসেবে লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণ হিসেবে ১০ ফেব্রুয়ারির একটি পোস্টে বলা হয়েছে: “এরা সেই ‘গুপ্ত’ শিবির যাদের রক্তের উপর স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ দাড়িয়ে আছে।” এখানে যাচাইযোগ্য তথ্য নয়, বরং নৈতিক ও আবেগভিত্তিক অবস্থানকে সামনে আনা হয়েছে।
একই পোস্টে আরও বলা হয়েছে: “১৭ বছর ধরে লন্ডনে থাকা নতুন মুফতিরা যখন এসি রুমে ঘুমাত, তারা তখন ডিবি মনিরের টর্চার সেলে বেহুঁশ হয়ে পড়ে থাকতো।” এই ধরনের তুলনামূলক বর্ণনার মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠীকে আলাদা বৈশিষ্ট্যে উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে তথ্যের চেয়ে উপস্থাপনার ধরনটি বেশি গুরুত্ব পায় বলে প্রতীয়মান হয়।
পোস্ট সংখ্যা
কোন ধরনের বয়ান সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে
জনমত গঠন · ৭২
জনমত গঠন
৭২
নির্বাচন প্রক্রিয়া · ২৯
নির্বাচন প্রক্রিয়া
২৯
দলীয় প্রচার · ২২
দলীয় প্রচার
২২
ফলাফল · ১১
ফলাফল
১১
মতাদর্শ প্রচার · ৫
মতাদর্শ প্রচার
৫
মোট প্রভাব
ভিউ, রিঅ্যাকশন ও শেয়ার মিলিয়ে প্রভাব
জনমত গঠন · ৯৬৫,৯৮৪
জনমত গঠন
৯৬৫,৯৮৪
নির্বাচন প্রক্রিয়া · ৫৯৪,৫১১
নির্বাচন প্রক্রিয়া
৫৯৪,৫১১
দলীয় প্রচার · ৫৫২,১৩০
দলীয় প্রচার
৫৫২,১৩০
ফলাফল · ৭০২,৫৮৬
ফলাফল
৭০২,৫৮৬
মতাদর্শ প্রচার · ২৪,০৫৬
মতাদর্শ প্রচার
২৪,০৫৬
কোনো কোনো পোস্টে আবেগনির্ভর ভাষার ব্যবহারও লক্ষ্য করা যায়। যেমন ২৭ জানুয়ারির একটি পোস্টে বলা হয়েছে: “জামায়াতের বিজয় মানেই / চাঁদাবাজদের দুর্নীতিবাজদের / ঘুম হারাম!!” এই ধরনের ভাষা একটি নৈতিক ফ্রেম তৈরি করতে পারে, যেখানে একটি রাজনৈতিক ফলাফলকে নির্দিষ্ট মূল্যবোধের সঙ্গে যুক্ত করে উপস্থাপন করা হয়।
এছাড়া কিছু পোস্টে অন্যায়, ষড়যন্ত্র বা অবিচারের ইঙ্গিতপূর্ণ বর্ণনা দেখা যায়। ১১ ফেব্রুয়ারির একটি পোস্টে বলা হয়েছে: “ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াত আমির নির্দোষ! তাকে, কিভাবে ফাঁসানো হয়, তা দেখবো আজ রাতেই! কোনো নাটক কাজে আসবে না।” এই ধরনের উপস্থাপনা পাঠকের মধ্যে সহানুভূতি বা সংশয় তৈরি করতে পারে।
সব মিলিয়ে, এই অংশের পোস্টগুলোতে সরাসরি প্রচারণার ভাষা সীমিত থাকলেও, ভাষা, তুলনা এবং আবেগনির্ভর উপস্থাপনার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখা যায়।
নীরব প্রভাবের ধরণ
পোস্টগুলোর একটি লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো– অনেক ক্ষেত্রে ভিউ তুলনামূলকভাবে বেশি, কিন্তু শেয়ার কম। অর্থাৎ কনটেন্টগুলো ব্যাপকভাবে দেখা হলেও, সব ব্যবহারকারী সক্রিয়ভাবে তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন না।
উদাহরণ হিসেবে একটি বেশি ভিউ পাওয়া পোস্টে বলা হয়েছে: “এরা সেই ‘গুপ্ত’ শিবির যাদের রক্তের উপর স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ দাড়িয়ে আছে। ১৭ বছর ধরে লন্ডনে থাকা নতুন মুফতিরা যখন এসি রুমে ঘুমাত, তারা তখন ডিবি মনিরের টর্চার সেলে বেহুঁশ হয়ে পড়ে থাকতো।”
এই ধরনের পোস্টে আবেগনির্ভর ও অবস্থানমূলক ভাষার ব্যবহার দেখা যায়, যা ব্যবহারকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে। একই সঙ্গে, ভাষার তীব্রতা বা অবস্থানগত স্পষ্টতার কারণে কিছু ব্যবহারকারী পোস্টটি শেয়ার করতে অনাগ্রহী হতে পারেন। এর ফলে ভিউ বেশি হলেও শেয়ার তুলনামূলক কম থাকতে পারে।
এই ধরনের প্যাটার্ন থেকে ধারণা করা যেতে পারে যে কিছু কনটেন্ট ব্যবহারকারীরা দেখলেও প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া বা শেয়ার না করার প্রবণতা থাকতে পারে। এ ধরনের আচরণকে কখনও “নীরব গ্রহণ” হিসেবে বর্ণনা করা হয়, যেখানে ব্যবহারকারী কোনো কনটেন্টের সঙ্গে সম্পৃক্ত হলেও তা প্রকাশ করেন না।
এখানে একটি আচরণগত দিকও প্রাসঙ্গিক। সাধারণত কোনো কনটেন্ট শেয়ার করা মানে সেটির প্রতি সমর্থন বা অবস্থান প্রকাশ করা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। কিন্তু পাঠক যখন শুধু দেখেন, তখন তিনি কোনো অবস্থান প্রকাশ না করেও ভাবনা বা প্রভাব গ্রহণ করতে পারেন।
নির্বাচনে আস্থায় আঘাত
নির্বাচন-সম্পর্কিত পোস্টগুলোর একটি অংশে ফলাফল ও প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন ধরনের দাবি, অভিজ্ঞতা ও ইঙ্গিত তুলে ধরা হয়েছে।
এই বয়ান কোনো একক পোস্টের মাধ্যমে তৈরি হয়নি। বরং অভিযোগ, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার বর্ণনা, ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য এবং নির্দিষ্ট ঘটনার উল্লেখ– এই বিভিন্ন উপাদান একত্রে বিবেচনা করলে একটি বৃহত্তর সংশয় বা প্রশ্নের ধারণা তৈরি হতে পারে।
উদাহরণ হিসেবে একটি পোস্ট উল্লেখ করা যায় যেখানে বলা হয়েছে: “বিএনপির ভোট ডাকাতির প্রমাণ দিলাম… আমাদেরকে দালাল মিডিয়ার মাধ্যমে ইলেকশন কমিশন বলছে ভোট সুষ্ঠু হচ্ছে। আসলে ভোট সুষ্ঠু হচ্ছে না…”।
এই পোস্টে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্যকে সরাসরি অস্বীকার করা হয়েছে। “ভোট সুষ্ঠ হচ্ছে না”– এই দাবির মাধ্যমে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে।
প্রতি পোস্টে গড় প্রভাব
কোন ধরনের পোস্ট তুলনামূলক বেশি কার্যকর
ফলাফল · ৬৩,৮৭১
ফলাফল
৬৩,৮৭১
দলীয় প্রচার · ২৫,০৯৭
দলীয় প্রচার
২৫,০৯৭
নির্বাচন প্রক্রিয়া · ২০,৫০০
নির্বাচন প্রক্রিয়া
২০,৫০০
জনমত গঠন · ১৩,৪১৬
জনমত গঠন
১৩,৪১৬
মতাদর্শ প্রচার · ৪,৮১১
মতাদর্শ প্রচার
৪,৮১১
এই চার্ট কী বলে
সংখ্যা কম হলেও কিছু কনটেন্টের প্রভাব বেশি
এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—সবচেয়ে বেশি পোস্ট মানেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব নয়। “ফলাফল” ধরনের পোস্টের সংখ্যা কম, কিন্তু প্রতি পোস্টে গড় প্রভাব সবচেয়ে বেশি। অর্থাৎ, কিছু নির্দিষ্ট ধরনের পোস্ট কম সংখ্যায় প্রকাশিত হলেও বেশি মানুষ দেখেছে, বেশি প্রতিক্রিয়া দিয়েছে, বা বেশি ছড়িয়েছে।
পোস্টগুলোর মধ্যে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধরন ছিলো আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণার আগে বিকল্প ধারণা উপস্থাপন। যেমন: “আলহামদুলিল্লাহ, এ পর্যন্ত বেসরকারি ভাবে বিজয়…” লিখে ২৪টি আসনে জামায়াতে ইসলামির প্রার্থীদের বিজয়ী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
এই পোস্টটির ভিউ ২,৬৭,৯২৫। এর মধ্য দিয়ে ফলাফল আসার আগেই একটি ধারণা প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। ফলে পরবর্তী সময়ে ভিন্ন কোনো ফলাফল এলে সেটি নিয়ে প্রশ্ন বা বিতর্কের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
এছাড়া কিছু পোস্টে নির্দিষ্ট এলাকা বা কেন্দ্রকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে। যেমন: “এই সেন্টারগুলোতে ভোট কারচুপি করার চেষ্টা করছে…”। এই ধরনের একাধিক পোস্ট একত্রে বিবেচনা করলে তা বৃহত্তর নির্বাচন ব্যবস্থার বিষয়ে সংশয়ের ধারণা তৈরি করতে পারে।
বয়ান যেভাবে তৈরি হয়
বিশ্লেষণে দেখা যায়, কিছু পোস্ট সময়ের সঙ্গে একটি ধারাবাহিক প্যাটার্ন তৈরি করতে পারে, যেখানে ভিন্ন ধরনের বক্তব্য পরপর উপস্থাপিত হয়।
১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিনে একটি পোস্টে বলা হয়েছে: “...আমাদেরকে দালাল মিডিয়ার মাধ্যমে ইলেকশন কমিশন বলছে ভোট সুষ্ঠু হচ্ছে। আসলে ভোট সুষ্ঠু হচ্ছে না...”। এখানে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এবং স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে নির্বাচন সুষ্ঠু নয়।
এর পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারির একটি পোস্টে বলা হয়: “দেখুন ফলাফল ইঞ্জিনিয়ারিং চলছে, রুখে দাও…”। এই পোস্টে ফলাফলকে সরাসরি একটি নিয়ন্ত্রিত বা পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এখানে দাবি করা হচ্ছে যে ফলাফল স্বাভাবিক নয়, বরং ‘ইঞ্জিনিয়ার্ড’।
প্রথমে সংশয় বা প্রশ্ন, এরপর সেই সংশয়ের ভিত্তিতে অতিরিক্ত ব্যাখ্যা– এই ধারাবাহিকতা পাঠকের মনে একটি ধারণা তৈরি করতে পারে।
এই দুই ধরনের পোস্ট একত্রে বিবেচনা করলে দেখা যায়, প্রথম পোস্টটি নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পর্কে একটি সংশয়ের ধারণা উপস্থাপন করতে পারে, এবং পরবর্তী পোস্টটি সেই ধারণার একটি সম্ভাব্য সম্প্রসারণ হিসেবে কাজ করতে পারে। এর ফলে দ্বিতীয় পোস্টটি কিছু ব্যবহারকারীর কাছে নতুন দাবি হিসেবে নয়, বরং পূর্ববর্তী বক্তব্যের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে প্রতীয়মান হতে পারে।
এই পর্যবেক্ষণ থেকে বোঝা যায়, পৃথক পোস্টের তুলনায় পোস্টগুলোর সময়ক্রমিক ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করা গুরুত্বপূর্ণ। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে প্রকাশিত পোস্ট একসাথে বিবেচনা করলে একটি নির্দিষ্ট ধরনের ব্যাখ্যা বা দৃষ্টিভঙ্গি কীভাবে গড়ে উঠতে পারে, তা স্পষ্ট হয়।
সাপ্তাহিক মোট প্রভাব (সব পোস্ট)
প্রতি সপ্তাহে সব ধরনের পোস্টের ভিউ, রিঅ্যাকশন ও শেয়ার যোগ করে এই চার্ট তৈরি করা হয়েছে। বারগুলোর উপর হোভার বা ট্যাপ করলে মোট প্রভাব ও মোট পোস্ট দেখা যাবে।
মোট প্রভাব: ২৩,৪৬৩ পোস্ট: ৬
০৮-১৪ ডিসেম্বর
মোট প্রভাব: ১৭,২৭৪ পোস্ট: ৬
১৫-২১ ডিসেম্বর
মোট প্রভাব: ৮,৪৫৬ পোস্ট: ৭
২২-২৮ ডিসেম্বর
মোট প্রভাব: ৮,২৪৫ পোস্ট: ৬
২৯ ডিসে-৪ জানু
মোট প্রভাব: ১,৪৯২ পোস্ট: ১
০৫-১১ জানুয়ারি
মোট প্রভাব: ৪২,৯৫৮ পোস্ট: ৭
১২-১৮ জানুয়ারি
মোট প্রভাব: ১৩৬,০৯০ পোস্ট: ১৬
১৯-২৫ জানুয়ারি
মোট প্রভাব: ৪৯১,২০৭ পোস্ট: ২১
২৬ জানু-০১ ফেব্রু
মোট প্রভাব: ১৩৫,৩২২ পোস্ট: ২০
০২-০৮ ফেব্রুয়ারি
মোট প্রভাব: ১,৯৭৪,৭৬০ পোস্ট: ৪৯
৯-১৫ ফেব্রুয়ারি
ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে মোট প্রভাব সবচেয়ে বেশি। জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকেও প্রভাব দ্রুত বাড়তে দেখা যায়। “১টি পোস্ট” মানে সব পোস্ট মিলিয়ে ১টি নয়; বরং অন্তত ২০০ ভিউ পাওয়া ১টি পোস্ট।
বয়ানের কেন্দ্রে জনমত গঠন
বিশ্লেষিত ১৩৯টি নির্বাচনকেন্দ্রিক পোস্টের মধ্যে একটি বড় অংশ (৭২টি) “জনমত গঠন”ধর্মী কনটেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ধরনের পোস্টগুলো পর্যবেক্ষণ করলে বয়ান সম্পর্কিত কিছু প্রবণতা বোঝা যেতে পারে। অন্যান্য ধরনের পোস্টের– যেমন নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন, ফলাফল সম্পর্কিত বক্তব্য বা দলীয় অবস্থান—বোঝার ক্ষেত্রেও এই পোস্টগুলো প্রাসঙ্গিক।
জনমত গঠনমূলক পোস্টগুলোর একটি বৈশিষ্ট্য হলো– এগুলোতে সরসারি রাজনৈতিক বক্তব্য কমই দেখা যায়। বরং এগুলো এমনভাবে লেখা, যাতে একটি নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি ধীরে ধীরে “স্বাভাবিক” বা “যুক্তিযুক্ত” মনে হতে শুরু করে। উদাহরণ হিসেবে একটি পোস্টে বলা হয়েছে: “জামায়াত এবার পরিকল্পনা নিয়েই মাঠে নেমেছে!!”
এই ধরনের বক্তব্যে কোনো বিশ্লেষণাত্মক তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি; তবে এটি একটি ধারণা তুলে ধরে যে সংশ্লিষ্ট দলটি সংগঠিত, প্রস্তুত বা সক্রিয়। এই উপস্থাপনা পাঠকের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট উপলব্ধি তৈরি করতে পারে।
একইভাবে, কিছু পোস্টে আবেগনির্ভর বা নৈতিক ভাষার ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। যেমন: “জামায়াতের বিজয় মানেই চাঁদাবাজদের, দুর্নীতিবাজদের বিদায়…” এখানে “বিজয়” শব্দটি শুধু একটি রাজনৈতিক ফলাফল বোঝাচ্ছে না। বরং একে একটি নৈতিক অবস্থান হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
সাপ্তাহিক সময়রেখায় বয়ানের ওঠানামা
ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে ফলাফল ও দলীয় প্রচারধর্মী পোস্টের প্রভাব দ্রুত বেড়েছে, আর জনমত গঠন ছিল পুরো সময়জুড়ে ধারাবাহিক। লেজেন্ডে ক্লিক করে সিরিজ অন বা অফ করুন, আর পয়েন্টে হোভার বা ট্যাপ করে মান দেখুন।
সাপ্তাহিক সময়রেখা দেখলে বোঝা যায়, সব ধরনের পোস্ট একইভাবে কাজ করেনি। ডিসেম্বরজুড়ে জনমত গঠনধর্মী কনটেন্ট ছিল স্থির কিন্তু তুলনামূলকভাবে নিচু মাত্রায়। জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে এর প্রভাব দ্রুত বাড়তে থাকে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে ফলাফল ও দলীয় প্রচারধর্মী পোস্টের উত্থান বিশেষভাবে দৃশ্যমান।
এই ধারা দেখায়, প্রথমে আবেগ, অসন্তোষ বা নৈতিক ফ্রেম তৈরি করা হয়; পরে নির্বাচন প্রক্রিয়া ও ফলাফল নিয়ে সংশয় বা ব্যাখ্যা যুক্ত হয়; শেষে দলীয় প্রচার বা বিজয়-ফ্রেম সামনে আসে। আলাদা আলাদা পোস্টের চেয়ে সময়ক্রমিক ধারাবাহিকতা তাই এখানে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
জনমত গঠনমূলক কনটেন্টের শক্তি আরও বাড়ে এর পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে। একই ধরনের বার্তা– সংগঠিত, ন্যায্য, অবিচারের শিকার, বা পরিবর্তনের প্রতীক– বিভিন্নভাবে বারবার সামনে আসে। ফলে পাঠক সব মিলিয়ে একটি সামগ্রিক ধারণা গ্রহণ করে নেয়। এই ধারাবাহিকতা একটি “স্বাভাবিক ধারণা” তৈরি করে– যা পরে অন্য ধরনের পোস্টকে সহজে গ্রহণযোগ্য করে তোলে।
বয়ানভিত্তিক শীর্ষ পোস্ট
একই বক্সের তীরচিহ্নে ক্লিক করে প্রতিটি ক্লাস্টারের শীর্ষ পোস্টগুলো স্লাইডারের মতো দেখা যাবে।
১ / ১০
Top post #১
তারিখ: 10/02/2026উৎস: Elias Hossainপোস্ট ওনার: Elias Hossain
জনমত গঠন
জামায়াত এবার পরিকল্পনা নিয়েই মাঠে নেমেছে!!
Views
১৪৪,১১০
Reactions
১০,৫৫৭
Shares
৩৫২
Impact
১৫৫,০১৯
Top post #২
তারিখ: 27/01/2026উৎস: Elias Hossainপোস্ট ওনার: Elias Hossain
তারিখ: 20/01/2026উৎস: Journalist Elias Hossain Fansপোস্ট ওনার: Journalist Elias Hossain Fans
জনমত গঠন
🔥 “এই সম্রাট ৮ মাস আমার পাশের রুমে ছিল!” 🔥
কাশিমপুর ২ নম্বর জেল | ৬০ সেল | পূর্ব বিল্ডিং | নিচতলা
আজ শুনছি—পুলিশ নাকি তার পূর্ণ ঠিকানা পাচ্ছে না।
এই কথাটা শুনে সত্যিই হাসি পায়।
কারণ, এই মানুষটাকে আমি শুধু চিনতাম না—আমি তার পাশেই থাকতাম।
ও ছিল এমন একজন, যে জেলের ভেতরেও চুরি করত।
এই জন্য আলাদা রুমে আটকে রাখা হয়েছিল।
কিন্তু সেখান থেকেও চিৎকার-চেঁচামেচি করে পুরো ফ্লোর অস্থির করে তুলত।
🚬 বিড়ি ছিল তার নেশা।
টাকা না থাকলে যার হাতে বিড়ি দেখত, সেখান থেকেই নিয়ে নিত।
কখনো কখনো ফেলে দেওয়া অবশিষ্ট অংশ পর্যন্ত কুড়িয়ে খেত।
কাশিমপুর ২ জেলে এমন কেউ ছিল না,
যে এই “সম্রাট”-কে চিনত না।
সে সারাদিন একা একা কথা বলত,
মাঝে মাঝে হেসে নিজেকে ডাকত—
👑 “কিং খান সম্রাট” 👑
ভেতরেও ঝামেলা করত,
মানুষের দিকে তেড়ে যেত,
অভিযোগের কারণে একসময় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।
শোনা যেত—সেখান থেকেও ডাক্তারদের জিনিস নিয়ে ঝামেলা করত।
🌙 আমি নিজে বহু রাত ঘুমাতে পারিনি,
শুধু তার বিড়ির জন্য চিৎকারের শব্দে।
আমার কাছেও টাকা চাইত।
কখনো ধমক দিয়ে গোসল করাতাম, নামাজ পড়তে বলতাম।
কয়দিন দেখানোর জন্য নামাজ পড়ত,
তারপর আবার সেই এক কথা—
“ভাই, বিড়ির টাকা দেন…”
কয়দিন আগে ওয়াজে একটা কথাই বলেছিলাম—
➡️ বাইরে চুরি করলে জেলে পাঠায়,
➡️ আর ভেতরে করলে… তাহলে মানুষকে কোথায় পাঠাবে?
আজ শুধু একটা প্রশ্নই রয়ে গেছে—
❓ এত পরিচিত, এত মানুষের চোখের সামনে থাকা এই মানুষটা হঠাৎ করে কোথায় হারিয়ে যায়?
যদি প্রশাসন চায়,
কাশিমপুরের ওই ঠিকানা থেকেই তার সব তথ্য বের করা সম্ভব।
কারারক্ষী থেকে বন্দি—সবাই তাকে চিনত।
⚠️ এটা কোনো গুজব নয়।
এটা আমার নিজের দেখা, নিজের শোনা, নিজের অভিজ্ঞতা।
— রফিকুল ইসলাম মাদানী
📢 পোস্টটা শেয়ার করুন। প্রশ্নটা ছড়িয়ে দিন।
মানুষ যেন জানতে চায়—
এই “সম্রাট” আসলে গেল কোথায়?
Views
৭৩,৯৪৭
Reactions
১,১৫৫
Shares
২৫১
Impact
৭৫,৩৫৩
Top post #৫
তারিখ: 09/02/2026উৎস: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইনপোস্ট ওনার: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইন
জনমত গঠন
বাউফলে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের গণসংযোগে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীর পেটে আঘাত করা হয়েছে। নারীবাদী সুদানির এখন কোথায়?
Views
৬৮,৩০৪
Reactions
৬,৩৯৭
Shares
৬২১
Impact
৭৫,৩২২
Top post #৬
তারিখ: 17/01/2026উৎস: Elias Hossainপোস্ট ওনার: Elias Hossain
জনমত গঠন
একেবারে প্রথম দিন থেকেই বলে এসেছি, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা যায় নাই বিএনপির জন্য।
বিএনপির ছাপ্রিরা আমাদের প্রচুর গালিগালাজ করেছে।
শুধু আমাদের না, কখনও ইউনূস, কখনও ছাত্র উপদেষ্টারা, কখনও বা এনসিপির উপ্রে দোষ চাপাইয়া দিসে।
অমুক তমুক নেতার অস্পষ্ট বক্তব্য, হাওয়া থেকে পাওয়ার হাওয়াই চিঠির রেফারেন্স টেনে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছে, বিএনপি নাকি আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিপক্ষে না।
আমাদের গালিগালাজ করা হইসে, ইউনূসকে তো গালিগালাজ করা হইসেই।
আজ প্রমাণ হলো? কারা মিথ্যাবাদী ছিল আর কারা সত্যবাদী ছিল?
আজ বিএনপির এটর্নি জেনারেল নিজের মুখে স্বীকার করসে যে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বাঁধাটা সে দিসে।
কারণ আওয়ামী লীগে অনেক ভালো মানুষ আছে।
অথচ উপরে উপরে মির্জা ফখরুল, রিজভী বা সালাহউদ্দীনরা আমাদের সাথে নাটক করেছে।
কখনও বলেছে দেশের মানুষ যা চায়, তাই হবে।
কখনও বলেছে বিএনপিও চায়।
অথচ আসল জায়গায় যাইয়া খেলে দিসে।
কোর্টে আটকায় দিসে।
এই কাহিনী শুধু এক সেক্টরে না।
সংস্কার, বন্দর থেকে শুরু করে সবকিছু নিয়েই এরা করেছে।
এই মুনাফেকিগুলো আপনা আপনিই বের হয়ে আসতেছে এখন।
ওদের মুখ দিয়েই বের হচ্ছে।
আরও বের হবে।
অপেক্ষা করেন।
কারা ৫ আগস্টের পর টেম্পুস্ট্যান্ড থেকে শুরু করে কোর্ট পর্যন্ত দখলে নিয়ে আমাদের ভাইদের রক্ত বিক্রি করে দিয়েছে, সেই ইতিহাসও বাংলাদেশের মানুষ একদিন জানবে।
এদের জন্য ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারোর ভাষায় একটা কথাই বলতে চাই,
বিশ্বাসঘাতকদের জায়গা, জাহান্নামের নিকৃষ্টতম স্তরে......
Views
৩৩,২৬৪
Reactions
১,০০৪
Shares
৫২
Impact
৩৪,৩২০
Top post #৭
তারিখ: 14/02/2026উৎস: Elias Hossainপোস্ট ওনার: Elias Hossain
জনমত গঠন
চরমোনাই পীর- 'ফয়জুল করিম' প্রধানমন্ত্রীর পদ চেয়ে আবদার করেছিলেন 'জামায়াতের আমির Dr. Shafiqur Rahman এর কাছে।
পাশাপাশি চেয়েছিলেন ১৪৪টি আসন। আবদার পূরণ না হওয়ায় চটে গিয়ে উল্টো চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলেন- ''এ প্লাস পেয়ে দেখাবেন।''
অথচ তিনি তার নিজের আসনেই ডাব্বা মে*রে*ছেন।🙂
পুরোটা সময় তাদের সাথে সবাই যুক্ত হয়ে জামায়াতের পেছনে উঠেপড়ে লেগেছিলেন এই খ্যাতিমান আলেমরা।
তাদের স্বপ্ন, তাদের পথচলা, তাদের বক্তব্য সব কিছুই ছিলো শুধুমাত্র 'জামায়াত'কে টেনে ধরে রেখে পথে বাঁধা হয়ে ঠেকানোর জন্য।
শেষপর্যন্ত এদের রাজনৈতিক ময়দানের সকল কার্যক্রমই ছিলো একচেটিয়া জামায়াত বিরোধী।
ওয়েল-ডান 'তারা সেটা সফল ভাবে করতে সক্ষম-ও হয়েছেন।'
পরবর্তী বাংলাদেশে যত অ*ন্যায় জু*লু*ম হবে সব কিছুর জন্য এরা শতভাগ দা*য়ী থাকবেন। দায় এড়ানো কী এত সহজ?😅
Views
৩১,৪৩৯
Reactions
১,১৫১
Shares
১৬৭
Impact
৩২,৭৫৭
Top post #৮
তারিখ: 11/02/2026উৎস: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইনপোস্ট ওনার: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইন
জনমত গঠন
ওলামায়ে ছু নামক এই ভন্ড মোনাফিকদেরকে আগামীকাল বয়কট করুন।
ইসলামের সর্বোচ্চ ক্ষতি করেছে এই মুনাফিকরা।
Views
২৫,০৭৫
Reactions
১,১৮৪
Shares
২৬৯
Impact
২৬,৫২৮
Top post #৯
তারিখ: 28/01/2026উৎস: Elias Hossainপোস্ট ওনার: Elias Hossain
জনমত গঠন
আমার প্রিয় কওমী ছাত্র জনতার প্রতি আকুল অনুরোধ, আপনারা মুরুব্বিদের অন্ধ অনুকরণ করা থেকে বিরত থাকুন। ইসলামী শক্তিকে সমর্থন করুন। দুনিয়া বদলে গেছে, এখন আর ঢাল তলোয়ার দিয়ে যুদ্ধ হয় না।
Views
২৩,৬৭১
Reactions
১,৬১৬
Shares
৮২
Impact
২৫,৩৬৯
Top post #১০
তারিখ: 08/02/2026উৎস: Journalist Elias Hossain Fansপোস্ট ওনার: Journalist Elias Hossain Fans
জনমত গঠন
সালাউদ্দিনের পেছনে গোল চিহ্নিত ব্যক্তিটি কে—এ নিয়ে ইতোমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে।
বলা হচ্ছে, তিনি এডিশনাল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আওলাদ হোসাইন জোনায়েদ। একজন রানিং জাজ।
এখানেই প্রশ্ন শুরু।
একজন দায়িত্বে থাকা বিচারক কীভাবে প্রকাশ্যে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে উপস্থিত হন?
এটা কি বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতার সঙ্গে যায়?
আরও গুরুতর বিষয় হলো—
আমীরে জামায়াতের টুইটার হ্যাক মামলায় গ্রেফতার হওয়া আসামিকে জিরো গ্রাউন্ডে জামিন দেওয়ার ঘটনাও আলোচনায় এসেছে।
আইনের চোখে কি সবাই সমান, নাকি রাজনৈতিক পরিচয় থাকলে নিয়ম বদলে যায়?
আজ সাধারণ মানুষ প্রশ্ন করছে—
এইভাবে কি প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থা চালানো হচ্ছে?
রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কি আসামিদের ছাড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে?
বিচারক যদি প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যুক্ত হন, তাহলে সাধারণ মানুষের আস্থা যাবে কোথায়?
বিচার বিভাগের মান ও মর্যাদা রক্ষা করবে কে?
এগুলো কোনো ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়।
এগুলো ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে জনস্বার্থের প্রশ্ন।
আমরা চাই স্বচ্ছ তদন্ত।
আমরা চাই জবাবদিহিতা।
আমরা চাই বিচার বিভাগ রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকুক।
#JusticeForHadi
#Bangladesh
#RuleOfLaw
#JudicialAccountability
Views
১৯,৭৮৯
Reactions
৭০১
Shares
১৯৯
Impact
২০,৬৮৯
১ / ১০
Top post #১
তারিখ: 30/01/2026উৎস: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইনপোস্ট ওনার: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইন
নির্বাচন প্রক্রিয়া
সুযোগ থাকলে লক্ষ্মীপুর-১ আসনে মাহফুজের ভাইকে সরিয়ে জামায়াতের প্রার্থী নাজমুল হাসানকে পুনর্বহাল করা হোক৷
Views
১২৬,২৬৬
Reactions
৯,৩৭৮
Shares
২০৮
Impact
১৩৫,৮৫২
Top post #২
তারিখ: 11/02/2026উৎস: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইনপোস্ট ওনার: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইন
নির্বাচন প্রক্রিয়া
ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াত আমির নির্দোষ! তাকে, কিভাবে ফাঁসানো হয়, তা দেখবো আজ রাতেই!
কোনো নাটক কাজে আসবে না ।
Views
১২০,৩২৪
Reactions
০
Shares
৮৬২
Impact
১২১,১৮৬
Top post #৩
তারিখ: 12/02/2026উৎস: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইনপোস্ট ওনার: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইন
নির্বাচন প্রক্রিয়া
ঢাকা ৮ এর বিপ্লবীরা....
বেগম রহিমা হাই স্কুল
সেগুনবাগিচা হাই স্কুল
বাংলাদেশ শিশু একাডেমী
ঢাকা মেডিকেল কলেজ
শান্তিবাগ প্রাইমারি হাই স্কুল
এই সেন্টারগুলোতে ভোট কারচুপি করার চেষ্টা করছে মির্জা আব্বাস।
ফোনে কথা বলছে যে ব্যক্তি এই ব্যক্তি জড়িত।
Views
১০৩,৬১৯
Reactions
২,৯৫৮
Shares
১৬৫
Impact
১০৬,৭৪২
Top post #৪
তারিখ: 08/02/2026উৎস: Elias Hossainপোস্ট ওনার: Elias Hossain
নির্বাচন প্রক্রিয়া
একজন সাবেক রিটার্নিং কর্মকর্তার বয়ানে বাংলাদেশে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বা ভোট জালিয়াতির ধরন সমুহঃ
জালিয়াতির সব থেকে কমন পার্ট হচ্ছে জাল ভোট দেওয়া। সব থেকে পুরনো টেকনিক হচ্ছে একজনের ভোট আরেকজন দেওয়া। সময় আর প্রযুক্তির আধুনিকতায় দিন দিন জাল ভোট দেওয়া এখন অনেক কঠিন হয়ে যাচ্ছে, তারপরও এটি এখনো চালু আছে। এই জাল ভোট তখনই দেওয়া হয় যখন কেন্দ্রের ভেতর থেকেই একটা সিগন্যাল দেওয়া হয় যে জাল ভোট পাঠানো হোক। সব কিছু সাজানো থাকে, কোনো কিছু নিয়ে প্রশ্ন করা হয় না। শুধু হাতের একটি স্লিপ নিয়ে আসলেই হয়, কোনো চ্যালেঞ্জ করা হয় না। তখন একই ব্যক্তিকে একটু পর পর বিভিন্ন জনের ভোট দিতে ভেতরে পাঠানো হয় এবং এই প্রক্রিয়া অবিরাম চলতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো প্রার্থীর এজেন্ট কাউকে চ্যালেঞ্জ না করে। তাই এজেন্টদের বলবো, সবার পরিচয় নিশ্চিত হোন।
এইবার আমি আমার একদম রিয়েল লাইফ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের কিছু ঘটনা আপনাদের বলবো:
ঘটনা - ১ একটি কেন্দ্রে গিয়ে দেখলাম লম্বা লাইন। আমরা ভেতরে গিয়ে দেখলাম কোনো ভোটার নেই। আমার একটু খটকা লাগলো—বাইরে অনেক লম্বা লাইন কিন্তু ভেতরে বুথগুলো ফাঁকা, কেউ ভোট দিচ্ছে না। সব বুথ ঘুরে এক পর্যায়ে আমি পোলিং অফিসারকে জিজ্ঞেস করলাম, বাইরে এত লম্বা লাইন কিন্তু ভেতরে ভোট হচ্ছে না কেন? পোলিং অফিসার খুব চালাক মানুষ, উনি কোনো দায়-দায়িত্ব নিলেন না। উনি আমাকে বললেন, বাইরে কী হচ্ছে সেটা আমি জানি না, আমার দায়িত্ব ভোটকেন্দ্রের ভেতরে দেখা। কেন লাইনে দাঁড়ানো মানুষ ভোট দিতে ভেতরে আসছে না সেটা আমার জানা নেই।
আমি বের হয়ে আসলাম আসল ঘটনা জানার জন্য। আসল ঘটনা ছিল, প্রতিটা ভোটকেন্দ্রের লাইনে সকাল থেকে ২৫-৩০ জনের একটা দল দাঁড়িয়ে গেছে। তাদের কাজ হলো লাইনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা কিন্তু ভেতরে ভোট দিতে না যাওয়া। অর্থাৎ কৃত্রিম একটা ট্রাফিক জ্যাম সৃষ্টি করা, যেন পিছনের লোকজন ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে ভোট না দিয়ে বাড়ি চলে যায়। আমি লক্ষ্য করলাম মানুষ আসলেই ভোট না দিতে পেরে বাড়ি চলে যাচ্ছে।
এটা করার কারণ হলো, এই কেন্দ্রগুলোতে তাদের প্রতিপক্ষ প্রার্থীর অনেক ভোট আছে। এখন এইভাবে মানুষকে ভোট দিতে না দিয়ে বাড়ি পাঠাতে পারলে দিনশেষে তারাই জিতবে। এটা ছিল তাদের সূক্ষ্ম ইঞ্জিনিয়ারিং। আমি লাইনে দাঁড়ানো দুই একজনকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনারা কতক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছেন? কেন ভেতরে যাচ্ছেন না? তারা কোনো উত্তর না দিয়ে একবার মোবাইলে তাকায় তো একবার উপরে তাকায়। বাধ্য হয়ে একজন ভেতরে গেলেন ভোট দিতে, কিন্তু তিনি ভোট দিয়ে এসেই আবার সেই লাইনের পিছনে দাঁড়িয়ে গেলেন। এটা যে কত বড় সূক্ষ্ম কারচুপি তা কেউ খেয়ালই করতে পারবে না।
নারী ভোটারদের লাইনেও একই অবস্থা ছিল। তবে মহিলাদের চিল্লাচিল্লিতে লাইন কিছুটা আগাচ্ছিল। কিন্তু তারা ভেতরে গেলে আরেক ধরণের হয়রানি করা হতো। যে স্লিপ নিয়ে তারা ভেতরে যেতেন, তাদের বলা হতো এই রুমে না, অন্য রুমে যান। এভাবে সব রুম ঘুরিয়ে ভোট না দিয়ে তাদের চলে যেতে বলা হতো। এভাবেই গ্রামের সহজ-সরল মানুষগুলো ভোট না দিয়ে বাড়ি চলে যায়।
ঘটনা - ২ ভোটকেন্দ্রের এজেন্ট নিয়ে যে কী পরিমাণ লুকোচুরি করা হয়, তার কিছু বিচিত্র অভিজ্ঞতা আমার হয়েছিল। আমরা যখনই আমাদের টিম নিয়ে কোনো কেন্দ্রে হাজির হতাম, ভেতরে গিয়ে দেখতাম সব প্রার্থীর এজেন্ট আছে কি না। দেখা যেত প্রভাবশালী দলের এজেন্ট আছে কিন্তু অন্য প্রার্থীর এজেন্ট নেই। জিজ্ঞাসা করলেই বলা হতো তারা এইমাত্র বাইরে গেছে বা খেতে গেছে, বাথরুমে গেছে ইত্যাদি । কিন্তু আসল ঘটনা ছিল, সকালেই তাদেরকে হুমকি-ধমকি বা মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।
এক কেন্দ্রে গিয়ে দেখলাম সব এজেন্ট আছে। আমি অবাক হলাম যে এই কেন্দ্র এত ভালো! আমি একজনের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কোন দলের এজেন্ট? তিনি বললেন আওয়ামী লীগের। আরেকজনকে বললাম আপনি কার এজেন্ট? তিনি বললেন অমুক প্রার্থীর। আমি তার গলার ব্যাজটা দেখে বললাম, আপনার গলায় তো নৌকা প্রতীকের ব্যাজ! তখন তিনি আর কোনো উত্তর দিতে পারলেন না। আমি একটা মুচকি হাসি দিয়ে বেরিয়ে আসলাম। তাড়াহুড়া করে ডামি এজেন্ট সাজাতে গিয়ে তারা গলার ব্যাজটা খুলতেও ভুলে গিয়েছিল।
ঘটনা - ৩ ভোটকেন্দ্রের মহিলা বুথগুলোর অবস্থা ছিল আরও খারাপ। একটি বুথে গিয়ে দেখি একজন মহিলা গোপন কক্ষে অবস্থান করছেন। যে ভোটাররা গোপন কক্ষে ভোট দিতে যাচ্ছেন, তাদের তিনি কোথায় ভোট দিতে হবে তা দেখিয়ে দিচ্ছেন বা বাধ্য করছেন। আমি গিয়ে প্রশ্ন করলাম, আপনি এই গোপন কক্ষে কী করছেন? এখানে ভোটার ছাড়া কারো থাকার কথা না। তিনি উত্তর দিলেন, বয়স্ক ভোটারদের হেল্প করছেন। আমি কথা বলার সময় পোলিং অফিসার তাকে ধমক দিয়ে বের করে দিলেন।
আরেকটি বুথে গিয়ে দেখলাম একজন জাদরেল টাইপের মহিলা ভোটারদের গোপন কক্ষে যেতেই দিচ্ছেন না। তার সামনেই ব্যালটে সিল মারতে বলছেন। আমি প্রশ্ন করায় তিনি কোনো উত্তর না দিয়ে অন্য দিকে মুখ ফিরিয়ে চলে গেলেন।
ঘটনা - ৪ ভোটকেন্দ্রে ভুয়া সাংবাদিকদের বিচরণ ছিল চোখে পড়ার মতো। আইন অনুযায়ী ভোটার, এজেন্ট আর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া কেন্দ্রে কেউ থাকতে পারবে না। কিছু সাংবাদিকের প্রবেশের অধিকার থাকে, সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে শত শত ভুয়া সাংবাদিক কার্ড ইস্যু করা হয়। এরা কেন্দ্রে ঘুরাঘুরি করে জালিয়াতিতে ব্যস্ত থাকে। এক ব্যক্তিকে দেখলাম ভোটারদের ইনফ্লুয়েন্স করছেন। জিজ্ঞেস করায় সাংবাদিক কার্ড দেখালেন। আমি তাকে বললাম, আপনার কাজ খবর সংগ্রহ করা, আপনি ভোটারদের কাজে হস্তক্ষেপ করছেন কেন? তিনি কোনো উত্তর না দিয়ে বের হয়ে গেলেন। আসলে এরা পার্টির লোক, তাদের কাজ হলো ভোটারদের ভয় দেখানো।
ঘটনা - ৫ একটি কেন্দ্রে ভুয়া নির্বাচন পর্যবেক্ষক দেখলাম। এক ব্যক্তি ঘুরাঘুরি করছিলেন, আমার সন্দেহ হওয়ায় জিজ্ঞেস করলাম আপনি কোন সংস্থার? তিনি কোনো উত্তর দিতে পারলেন না, পরে নামসর্বস্ব একটা নাম বললেন যা আমি কখনো শুনিনি। আমি বললাম আপনি পর্যবেক্ষক হলে তো পর্যবেক্ষণ করে চলে যাওয়ার কথা, কিন্তু আপনি ভোটে হস্তক্ষেপ করছেন। তিনি আর কথা না বলে চলে গেলেন।
ঘটনা - ৬ আরেকটি কেন্দ্রে গিয়ে দেখলাম বাইরে প্রচুর মানুষ ঘুরাঘুরি করছে কিন্তু ভেতরে কেউ ভোট দিতে যাচ্ছে না। আমরা ১৫ মিনিট বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে ভেতরে গেলাম। পোলিং অফিসার বললেন তিনি জানেন না কেন মানুষ আসছে না। বাইরে এসে এক ছোট ছেলেকে জিজ্ঞেস করলাম কী হয়েছে? সে বললো এখানে মারামারি হয়েছে, কেউ ভেতরে গেলেই তাকে মারছে। তখন বুঝলাম ভেতরে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে যেন কেউ ভোট দিতে না যায়।
ঘটনা - ৭ একটি কেন্দ্রে দেখলাম ভোটারদের গোপন কক্ষে সিল দিতে দেওয়া হচ্ছে না। এজেন্টের সামনেই সিল মারতে বাধ্য করা হচ্ছে যাতে তারা কনফার্ম হতে পারে ভোটটা তাদের দলেই পড়েছে। আমি জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখে ভেতরে ঢুকলাম এবং প্রশ্ন করলাম। পোলিং অফিসার বললেন তিনি দেখেননি, হলে হয়তো একটা-দুইটা হতে পারে। এরপর আমাদের সামনেই একটা মিথ্যা বকাবকির নাটক সাজানো হলো—এটুকুই।
এগুলো হলো কেন্দ্রের ভেতরে ও আশেপাশের জালিয়াতি। এছাড়া কেন্দ্র থেকে ২ কিলোমিটার দূরে ভোটারদের থামিয়ে দেওয়া বা বাড়ি থেকে নারী ভোটারদের এনআইডি কার্ড কেড়ে নেওয়ার মতো ঘটনাও আমি অনেক দেখেছি।
আমার খুব আশাবাদী এইবার এইসকল অনিয়ম গুলি হবে না, অনিয়মের চেষ্টা কিন্তু সব পক্ষ করেই যাবে।
#JusticeForHadi
#JamaateIslami #Shibir #JamaatShibirMediaCell #NCP
#NCPBangladesh
#চলো_একসাথে_গড়ি_বাংলাদেশ
#চলোএকসাথেগড়িবাংলাদেশ
#গণভোটে_হ্যাঁ
#VoteForDaripalla
#daripalla
#দাঁড়িপাল্লা
#দাঁড়িপাল্লায়_ভোট_দিন
#নির্বাচন #বাংলাদেশ
#election #bangladesh
#election2026
Views
৫৬,৪০৭
Reactions
২,২৭৩
Shares
৪৭৬
Impact
৫৯,১৫৬
Top post #৫
তারিখ: 11/02/2026উৎস: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইনপোস্ট ওনার: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইন
নির্বাচন প্রক্রিয়া
ঢাকার বাড্ডা এলাকার আদর্শনগর বিদ্যা নিকেতন কেন্দ্রে ৩৮ নং ওয়ার্ডের বি এন পি সভাপতি বরকত তার দলবল নিয়ে প্রবেশ করছে।
এখানকার বি এন পি প্রার্থী এম কাইয়ুম আর ১১ দলের প্রার্থী এনসিপির নাহিদ ইসলাম।
বি এন পি ও প্রশাসন মিডিয়াকে চাপে রাখলে আমরাই মিডিয়া হয়ে যাবো। আজকের প্রমাণ সহ প্রতিটা কারচুপির সঠিক তদন্ত না হলে আগামীকাল কাফনের কাফন বেধে নামবো। হাজার শহীদের রক্তের উপর দাঁড়ায়ে যেই নির্বাচন হচ্ছে, সেখানে কোন ধরণের অবৈধতা, কারচুপি, জালিয়াতি মেনে নেয়া হবে না। যদি হয়ও এর ফলাফল হবে খারাপ। বি এন পি যেনো ৯৬ সালের নির্বাচনের ইতিহাস ভুলে না যায়, সেখানে তো তাও ৯০ দিন ক্ষমতায় ছিলো! আমরা ৯ দিনও থাকতে দিবো না।
ব্যালট বক্সে কোন কারচুপি মেনে নিবো না।
ঢাকার জনগণ এই প্রতারণা ভোট ডাকাতি রুখে দিন।
#BoycotBNP
#VoteForChange
Views
২১,০৯৬
Reactions
১,৫৭৯
Shares
৪৪৩
Impact
২৩,১১৮
Top post #৬
তারিখ: 11/02/2026উৎস: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইনপোস্ট ওনার: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইন
নির্বাচন প্রক্রিয়া
ইসি,রিটার্নিং কর্মকর্তা সহ নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের কে একটু মনে করিয়ে দেয়া হলো পূর্ববর্তীতে যারা ভোট কারচুপি করেছে এবং যারা জনগণের সাথে বেইমানি করেছে তাদের কর্মফল..
আপনারা যদি জনগণের সাথে বেইমানি করার চেষ্টা করেন আপনাদের অবস্থা হবে আরো ভয়াবহ...
Loud and Clear....
Views
১৬,৫৭৩
Reactions
১,৪৮৪
Shares
২৭৭
Impact
১৮,৩৩৪
Top post #৭
তারিখ: 12/02/2026উৎস: Elias Hossainপোস্ট ওনার: Elias Hossain
নির্বাচন প্রক্রিয়া
ঢাকা-৬ আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রের ফলাফলে যেভাবে ধানের শীষের পক্ষে ভোট কারচুপি করা হয় তার স্পষ্ট প্রমাণ।
Views
১৬,৫২৩
Reactions
৩৫৪
Shares
৯৮
Impact
১৬,৯৭৫
Top post #৮
তারিখ: 12/02/2026উৎস: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইনপোস্ট ওনার: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইন
নির্বাচন প্রক্রিয়া
শরীয়তপুর ২ (নড়িয়া-সখিপুর ) আসনে বিএনপির স'ন্ত্রা'সী'দের বিরুদ্ধে ভয়াবহ ভোট কারচুপির অভিযোগে ......
https://www.facebook.com/share/p/1FrBQsejoR/
https://www.facebook.com/share/v/1AsqLeAG9B/
Views
১২,৯৬৩
Reactions
৪২৭
Shares
৪৩
Impact
১৩,৪৩৩
Top post #৯
তারিখ: 12/02/2026উৎস: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইনপোস্ট ওনার: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইন
নির্বাচন প্রক্রিয়া
শরীয়তপুর ২ (নড়িয়া-সখিপুর ) আসনে বিএনপির স'ন্ত্রা'সী'দের বিরুদ্ধে ভয়াবহ ভোট কারচুপির অভিযোগে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক ডাঃ মাহমুদ হোসেনের
https://www.facebook.com/share/p/1FrBQsejoR/
Views
১২,৫৫৩
Reactions
৩৫৫
Shares
১৬
Impact
১২,৯২৪
Top post #১০
তারিখ: 12/02/2026উৎস: Elias Hossainপোস্ট ওনার: Elias Hossain
নির্বাচন প্রক্রিয়া
বিএনপির ভোট ডাকাতির প্রমাণ দিলাম, ইলেকশন কমিশন কি ব্যবস্থা নেয় দেখিঃ
জামাত-এনসিপির উচিৎ এখনই নির্বাচন বয়কট করা। তবে অরাজক অবস্থা তৈরি করা উচিৎ হবে না। বিএনপিকে ক্ষমতা নিতে দেন। আপনারা রাজপথ ধরে রাখেন। আপনাদের কিছু আসনে জিতিয়ে দিলেও শপথ নিয়েন না।
আরেকটা চূড়ান্ত বিপ্লবের প্রস্তুতির জন্য রেডি হন।
Views
১১,০১৮
Reactions
৫৭৭
Shares
২২০
Impact
১১,৮১৫
১ / ১০
Top post #১
তারিখ: 10/02/2026উৎস: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইনপোস্ট ওনার: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইন
দলীয় প্রচার
এরা সেই "গুপ্ত' শিবির যাদের র'ক্তের উপর স্বৈ'রাচারমুক্ত বাংলাদেশ দাড়িয়ে আছে৷
১৭ বছর ধরে লন্ডনে থাকা নতুন মুফতিরা যখন এসি রুমে ঘুমাত, তারা তখন ডিবি মনিরের ট'র্চার সেলে বেহুঁশ হয়ে পড়ে থাকতো৷
Views
৪১৫,১১৭
Reactions
০
Shares
১,৯০৮
Impact
৪১৭,০২৫
Top post #২
তারিখ: 11/02/2026উৎস: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইনপোস্ট ওনার: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইন
দলীয় প্রচার
এরা সেই "গুপ্ত' শিবির যাদের র'ক্তের উপর স্বৈ'রাচারমুক্ত বাংলাদেশ দাড়িয়ে আছে৷
১৭ বছর ধরে লন্ডনে থাকা নতুন মুফতিরা যখন এসি রুমে ঘুমাত, তারা তখন ডিবি মনিরের ট'র্চার সেলে বেহুঁশ হয়ে পড়ে থাকতো৷
Views
৫৭,০০৩
Reactions
৪,১২৩
Shares
২৫৬
Impact
৬১,৩৮২
Top post #৩
তারিখ: 10/02/2026উৎস: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইনপোস্ট ওনার: Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইন
দলীয় প্রচার
এরা সেই "গুপ্ত' শিবির যাদের র'ক্তের উপর স্বৈ'রাচারমুক্ত বাংলাদেশ দাড়িয়ে আছে৷ নতুন মুফতিরা লন্ডনে যখন এসি রুমে ঘুমাইত, তারা তখন ডিবি মনিরের ট'র্চার সেলে বেহুঁশ হয়ে পড়ে থাকতো৷
ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য বগুড়া-৩ দুপচাঁচিয়া-আদমদীঘি আসনে নূর মোহাম্মদ ভাইয়ের সালাম নিন।
Views
৩৭,৪৮২
Reactions
৩,৪৭৮
Shares
১১৮
Impact
৪১,০৭৮
Top post #৪
তারিখ: 31/01/2026উৎস: Elias Hossain Newsপোস্ট ওনার: সময় - Time
দলীয় প্রচার
ইন্নালিল্লাহ
‘শিবির’ সভাপতি সহ ৫ জন গু'লিবিদ্ধ
বিস্তারিত কমেন্টে
Views
৯,০৩৯
Reactions
২৭১
Shares
৩৯
Impact
৯,৩৪৯
Top post #৫
তারিখ: 13/12/2025উৎস: সাংবাদিক ইলিয়াস - Elias Hossainপোস্ট ওনার: মোঃ শরীফ
দলীয় প্রচার
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জামায়াতে যোগ দিয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান।⚖️✌️
Views
৪,৭৯৩
Reactions
২৯১
Shares
৪০
Impact
৫,১২৪
Top post #৬
তারিখ: 17/12/2025উৎস: সাংবাদিক ইলিয়াস - Elias Hossainপোস্ট ওনার: মোঃ শরীফ
দলীয় প্রচার
যারা বলে শিবির গুপ্ত সংগঠন এই শিবিরের র্যালিটা হচ্ছে !
আলহামদুলিল্লাহ আগামীর প্রজন্মের নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ✊
Views
৪,৪২৪
Reactions
৪৩৯
Shares
৬৪
Impact
৪,৯২৭
Top post #৭
তারিখ: 26/12/2025উৎস: সাংবাদিক ইলিয়াস - Elias Hossainপোস্ট ওনার: আশার আলো
তারিখ: 27/12/2025উৎস: সাংবাদিক ইলিয়াস - Elias Hossainপোস্ট ওনার: Crime Times ক্রাইম টাইমস
দলীয় প্রচার
জামায়াতে যোগ দিলেন শিবিরের সাবেক সভাপতি, জাহিদুল ইসলাম।
Views
২,৬৭৩
Reactions
১৩০
Shares
৩
Impact
২,৮০৬
Top post #৯
তারিখ: 03/01/2026উৎস: সাংবাদিক ইলিয়াস - Elias Hossainপোস্ট ওনার: Insaf Gruop
দলীয় প্রচার
আলহামদুলিল্লাহ,
ঢাকা-১৫ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমান এর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
Views
৮৬৯
Reactions
৩৯৬
Shares
৯
Impact
১,২৭৪
Top post #১০
তারিখ: 18/01/2026উৎস: Journalist Elias Hossain Fansপোস্ট ওনার: Journalist Elias Hossain Fans
দলীয় প্রচার
চরমোনাই ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করলেন আলী হাসান ওসামা!..
Views
৯৪৯
Reactions
৭৬
Shares
৩
Impact
১,০২৮
পদ্ধতিMethodology
এই বিশ্লেষণটি ২০২৬ সালের নির্বাচন-সম্পর্কিত অনলাইন বয়ান পর্যবেক্ষণ করে তৈরি করা হয়েছে। গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল– নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে ঘিরে কী ধরনের বয়ান তৈরি হচ্ছে, সেগুলোর ধরন, বিস্তার এবং প্রভাব বোঝা।This analysis was prepared by observing election-related online narratives around the 2026 election. The purpose was to understand what kinds of narratives were being built around a specific political party, as well as their type, spread, and impact.
১. ডেটা সংগ্রহ1. Data collection
ফেসবুক থেকে নির্বাচন-সম্পর্কিত পোস্ট সংগ্রহ করা হয়েছেElection-related posts were collected from Facebook.
মোট ১৩৯টি পোস্ট এই বিশ্লেষণের জন্য নির্বাচিত হয়েছেA total of 139 posts were selected for this analysis.
শুধু পাবলিকলি অ্যাক্সেসযোগ্য কনটেন্ট ব্যবহার করা হয়েছেOnly publicly accessible content was used.
২. ডেটা পরিশোধন2. Data cleaning
অপ্রাসঙ্গিক বা নির্বাচন-বহির্ভূত কনটেন্ট বাদ দেওয়া হয়েছেIrrelevant or non-election-related content was excluded.
টেক্সট স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন করা হয়েছে (বানান, ফরম্যাট ইত্যাদি)Text was standardised, including spelling and formatting where necessary.
প্রতিটি পোস্ট বয়ান অনুযায়ী শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে। প্রধান শ্রেণীগুলো হলো:Each post was classified according to its narrative. The main categories were:
জনমত গঠন: সরাসরি রাজনৈতিক দাবি ছাড়া একটি ধারণা বা দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করাOpinion shaping: building an idea or point of view without making a direct political claim.
নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন: নির্বাচন নিয়ে সংশয়, অনিয়ম বা অবিশ্বাস তৈরিQuestioning the election process: creating doubt, concern, or distrust around the election.
দলীয় প্রচার: নির্দিষ্ট দলকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপনParty promotion: presenting a specific party in a positive way.
৪. প্রভাব পরিমাপ4. Impact measurement
প্রতিটি পোস্টের প্রভাব নির্ধারণে নিম্নোক্ত মেট্রিক ব্যবহার করা হয়েছে:The following metrics were used to assess the impact of each post:
ভিউ (Views)Views
রিঅ্যাকশন (Reactions)Reactions
শেয়ার (Shares)Shares
এই তিনটি সূচক একত্রে বিবেচনা করে মোট প্রভাব নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে শুধু পোস্টের সংখ্যা নয়, বরং তার বাস্তব রিচ প্রতিফলিত হয়।These three indicators were combined to calculate total impact, so that the analysis reflects not only the number of posts but also their actual reach and engagement.
৫. শীর্ষ পোস্ট নির্বাচন5. Top post selection
প্রতিটি বয়ান ক্যাটাগরি থেকে সর্বোচ্চ এনগেজমেন্ট পাওয়া পোস্টগুলো নির্বাচন করা হয়েছেThe highest-engagement posts were selected from each narrative category.
এনগেজমেন্ট = রিঅ্যাকশন + শেয়ার (প্রয়োজনে ভিউ বিবেচনা করা হয়েছে)Engagement was calculated as reactions plus shares, with views considered where relevant.
এখানে ২৬৩টি পোস্ট বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে দেখা যায় সরাসরি সমালোচনা, পরোক্ষ সমালোচনা এবং মত নির্মাণমূলক কনটেন্ট একসঙ্গে ক্রিয়াশীল থেকে প্রভাব বিস্তার করতে পারে।An analysis of 263 posts shows how direct criticism, indirect criticism, and framing-style content can work together to shape online influence.